ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১৮১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলার ১৮১ কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা (১১-দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত) থেকে ৯৬ হাজার ২২৩ ভোটের ব্যবধান সৃষ্টি করেছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪১২ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৮৯২ ভোট পেয়ে ভোটের পরিসংখ্যানে স্থান করেছেন। নির্বাচনে মোট ৪ হাজার ৪৩১টি পোস্টাল ভোট সংগৃহীত হয়েছে।
বিজয়ের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিজয়কে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করে বলেন, যেকোনো বিজয়ই মূলত জনগণের। আমাকে আবারও ঋণের বাঁধনে বাঁধলেন। এখন প্রধান চিন্তা হলো কীভাবে এই ঋণ শোধ করব।
তিনি তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানান, প্রথমেই এই এলাকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রধান লক্ষ্য। ঠাকুরগাঁও একটি কৃষিপ্রধান জেলা হওয়ায় তিনি কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করার অঙ্গীকার করেন।
দেশ পরিচালনা ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চাই। দারিদ্র্য দূরীকরণ আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি পূর্ববর্তী ভিশন ২০৩০ ও ৩১ দফা প্রস্তাবনার আলোকে দল কাজ করবে জানিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার ও অর্থনীতি সচলকরণে জোর দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলায় বিএনপি অন্যান্য দুই আসনেও জয়ী হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ড. আব্দুস সালাম ও ঠাকুরগাঁও আসনে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বিজয়ী হয়েছেন। জেলায় বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১৮১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলার ১৮১ কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা (১১-দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত) থেকে ৯৬ হাজার ২২৩ ভোটের ব্যবধান সৃষ্টি করেছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪১২ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৮৯২ ভোট পেয়ে ভোটের পরিসংখ্যানে স্থান করেছেন। নির্বাচনে মোট ৪ হাজার ৪৩১টি পোস্টাল ভোট সংগৃহীত হয়েছে।
বিজয়ের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিজয়কে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করে বলেন, যেকোনো বিজয়ই মূলত জনগণের। আমাকে আবারও ঋণের বাঁধনে বাঁধলেন। এখন প্রধান চিন্তা হলো কীভাবে এই ঋণ শোধ করব।
তিনি তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানান, প্রথমেই এই এলাকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রধান লক্ষ্য। ঠাকুরগাঁও একটি কৃষিপ্রধান জেলা হওয়ায় তিনি কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করার অঙ্গীকার করেন।
দেশ পরিচালনা ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চাই। দারিদ্র্য দূরীকরণ আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি পূর্ববর্তী ভিশন ২০৩০ ও ৩১ দফা প্রস্তাবনার আলোকে দল কাজ করবে জানিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার ও অর্থনীতি সচলকরণে জোর দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলায় বিএনপি অন্যান্য দুই আসনেও জয়ী হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ড. আব্দুস সালাম ও ঠাকুরগাঁও আসনে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বিজয়ী হয়েছেন। জেলায় বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক